খুশকি ও সেবোরিক ডার্মাটাইটিস-newsedge24

মাথার স্ক্যাল্প থেকে উঠে আসা মরা চামড়া, যা খুশকি নামে পরিচিত, সাধারণত শীতকালে শুষ্কতা ও ধুলোবালির কারণে বেড়ে যায়। এটি মাথায় চুলকানি সৃষ্টি করে। তবে খুশকি অতিরিক্ত হলে তা সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে রূপ নিতে পারে। খুশকি ও সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। খুশকিতে কেবল মরা চামড়া উঠে, স্ক্যাল্পে কোনো প্রদাহ বা ইনফেকশন থাকে না। কিন্তু সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে স্ক্যাল্পে প্রদাহের সঙ্গে খুশকি দেখা যায়। এছাড়া, সোরিয়াসিস নামক আরেকটি রোগের খেত্রেও খুশকির মতো দেখতে হতে পারে, তবে এর আঁশ শুকনো ও রুপালি রঙের হয়, যেখানে সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের আঁশ তৈলাক্ত।

সেবোরিক ডার্মাটাইটিস শরীরের তেল গ্রন্থিযুক্ত স্থানে, যেমন মাথার ত্বক, কানের পেছনে, নাকের পাশে, ভ্রু, বগল, এমনকি চোখের পাতা ও দাড়ি-গোঁফেও দেখা দিতে পারে। এতে লালচে দাগ ও খোসাযুক্ত আঁশ দেখা যায়। অনেক সময় এটি অ্যাকজিমার মতো মনে হতে পারে। খুশকি বা সেবোরিক ডার্মাটাইটিস সম্পূর্ণ নির্মূল করা সম্ভব না হলেও সঠিক যত্ন ও চিকিৎসায় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

করণীয়:

  • স্ক্যাল্প বা মাথার ত্বক সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন। কখনও ভেজা চুল বাঁধবেন না।
  • খুশকিযুক্ত ব্যক্তির চিরুনি অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে ছত্রাক ছড়াতে পারে।
  • মাথায় তেল ব্যবহার করবেন না, কারণ এগুলো খুশকি বাড়াতে পারে।

চিকিৎসা:
খুশকি নিবারক শ্যাম্পু, যেমন জিংক পাইরিথিওন, সেলেনিয়াম সালফাইড বা কিটোকোনাজল শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। প্রদাহ বেশি হলে কম শক্তিশালী কর্টিসোন লোশন বা জেল ব্যবহার করা যেতে পারেন। সমস্যা না কমলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *