পাকিস্তানের কোটরি এলাকায় ২২ বছর বয়সী ফরিদ খান নামে এক যুবক তিন সন্তানের এক মায়ের প্রেমে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন। প্রেমে এতটাই মগ্ন হয়ে পড়েন তিনি যে, বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে পিতামাতার অনুমতি চান। কিন্তু পরিবারের প্রত্যাখ্যানের মুখে পড়ে কোটরি ব্রিজ থেকে সিন্ধু নদে ঝাঁপ দিয়ে জীবন শেষ করেন। অনলাইন ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফরিদ তার পিতা ফুরকান খানের সঙ্গে মোটরসাইকেলে যাওয়ার পথে কোটরি ব্রিজে পৌঁছে হঠাৎ নেমে পড়েন এবং কারও কিছু বোঝার আগেই নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে স্থানীয় পুলিশ ও রেসক্যু ১১২২ টিমের সহায়তায় পরদিন সকালে ডুবুরিরা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে। মৃতদেহটি মেডিকেল ফর্মালিটিজ শেষে সিভিল হাসপাতাল জামশোরো থেকে তার পিতামাতার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ফরিদ ওই নারীকে বিয়ে করার জন্য বারবার তার পিতামাতার কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। এ নিয়ে তার পিতার সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। ক্ষোভের বশে তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফরিদের পিতা পুলিশকে জানিয়েছেন, পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও তিনি ওই নারীকে বিয়ে করতে অটল ছিলেন। পুলিশ আরও তদন্ত করে দেখছে, এ ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা।
অন্যদিকে, শুক্রবার সারহারির কাছে একটি মর্মান্তিক ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী প্রেমকুমার নামে এক কিশোরকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। প্রেমকুমার ঘাস কাটতে মাঠে গিয়েছিল। সেখানে দুই ব্যক্তি তাকে টিউবওয়েলের কাছে নিয়ে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে। তার বাধায় তারা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। প্রেমকুমারের মা দাবি করেছেন, এই হত্যাকাণ্ডের জন্য রাওয়াল খেরিও এবং মুখতিয়ার ওরফে মাক্কো খেরিও নামে দুই ব্যক্তি দায়ী। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ফরিদ_খান, আত্মহত্য,










































