ঢাকার আদালতে মঙ্গলবার (২৪ জুন, ২০২৫) ফুরফুরে মেজাজে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রবেশ করেন বিতর্কিত গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল। কিছুক্ষণ পরই উপস্থিত হন তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, যিনি ছিলেন নোবেলের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলার বাদী। আদালতে নোবেলের কাঠগড়ায় গিয়ে প্রিয়া তার সঙ্গে হাসিখুশি ভাবে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন।
বিচারক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহাবুব প্রিয়াকে জিজ্ঞেস করেন, “জামিনে আপনার কোনো আপত্তি আছে?” প্রিয়া স্পষ্ট জবাব দেন, “না।” উভয় পক্ষের আইনজীবীরাও জানান, ভুল বোঝাবুঝির কারণে মামলা হয়েছিল, যা এখন মিমাংসা হয়ে গেছে। এরপর প্রিয়া আবার নোবেলের কাছে ফিরে গিয়ে তার হাত ধরে দাঁড়ান। দুজনে বাসার সবার খোঁজখবর নেন এবং একে অপরের সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলেন।
নোবেলকে আদালত থেকে পুনরায় কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সারাক্ষণ প্রিয়ার হাত ধরে হাঁটেন। এমনকি আদালতের লিফটে ওঠার সময়ও প্রিয়াকে সঙ্গে নেন। কিছুক্ষণ পর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহাবুব নোবেলের জামিনের আদেশ ঘোষণা করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রিয়া জানান, জামিনের বিষয়ে তার কোনো আপত্তি নেই। তাদের আইনজীবীরা আরও জানান, নোবেল ও প্রিয়ার সংসারে শিগগিরই নতুন সদস্য আসতে যাচ্ছে। প্রিয়া সুখী ও নতুন জীবনের জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
গত ১৮ জুন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নাজমিন আক্তার নোবেলকে জামিন দেওয়ার শর্ত হিসেবে প্রিয়াকে বিয়ে করার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মেনে ১৯ জুন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। নোবেলের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় নারী নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় এক হাজার টাকা বন্ডে জামিন মঞ্জুর হয়।













































































































































































































































