নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সাবেক সভাপতি শমী কায়সার জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট ২০২৫) রাত পৌনে ১১টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি মুক্তি পান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারা সদর দপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক মো. জাহাঙ্গীর কবির।
২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর রাতে রাজধানীর উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর রোডের ৫৩ নম্বর বাসা থেকে শমী কায়সারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে উত্তরা পূর্ব থানায় দায়েরকৃত দুটি পৃথক হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একটি মামলায় টঙ্গী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী জুবায়ের হাসান ইউসুফ এবং অপরটিতে ব্যবসায়ী ইশতিয়াক মাহমুদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ছিল।
গত ১০ আগস্ট হাইকোর্টের বিচারপতি এএসএম আবদুল মবিন ও বিচারপতি মো. জাবিদ হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ জুবায়ের হাসান ইউসুফ হত্যাচেষ্টা মামলায় শমী কায়সারকে জামিন দেন। এর আগে তিনি ইশতিয়াক মাহমুদ হত্যাচেষ্টা মামলায়ও জামিন পান। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকায় আদালতের আদেশে তাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: স্বামীর বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা করেছেন সানাই মাহবুব
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের পর ১৪ আগস্ট শমী কায়সার ই-ক্যাব সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার ও লেখক-গবেষক, শিশু সংগঠক এবং সাবেক সংসদ সদস্য পান্না কায়সারের কন্যা শমী কায়সার। তিনি নব্বই দশকে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনায়ও নাম লেখান। এছাড়া তিনি আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন এবং এফবিসিসিআই-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।













































































































































































































































