গায়ক জাস্টিন বিবার এখনো তাঁর সাবেক ম্যানেজার স্কুটার ব্রাউনের কাছ থেকে নেওয়া ৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম টিএমজেড-এর বরাতে জানা গেছে, এই দেনা মেটানোর জন্য তিনি স্ত্রী হেইলি বিবারের কসমেটিক ব্র্যান্ড রোড-এর বিলিয়ন ডলারের চুক্তির অর্থের ওপর নির্ভরশীল। জাস্টিনের কাছে বর্তমানে এতটি নগদ অর্থ নেই, এবং চুক্তির অর্থ ব্যাংকে এলে তিনি ঋণ পরিশোধ করবেন।
২০২২ সালে স্নায়বিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে জাস্টিন ‘জাস্টিস ট্যুর’সহ সব অনুষ্ঠান বাতিল করতে বাধ্য হন, যার ফলে প্রায় ২৬ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়। সে সময় স্কুটার ব্রাউন তাঁর কোম্পানির মাধ্যমে এই অর্থ ঋণ হিসেবে প্রদান করেন।
তাছাড়া, বিবারের কাছ থেকে স্কুটার কমিশন হিসেবে ১১ মিলিয়ন ডলার পেতেন, এবং অতিরিক্ত ৮ মিলিয়ন ডলারের কমিশনের দেনা পরে মাফ করা হয়। সমঝোতা অনুযায়ী, জাস্টিন ২৬ মিলিয়ন ডলার এবং ১১ মিলিয়নের অর্ধেক, মোট ৩১.৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধে রাজি হন।
আরও পড়ুন: আমির খান ২৭ বছর পর আবার পর্দায় গান গাইছেন
দেনা পরিশোধে জাস্টিন এখন নির্ভর করছেন হেইলির সম্প্রতি স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির ওপর। গত মে মাসে হেইলি তাঁর কসমেটিক ব্র্যান্ড রোড এক বিলিয়ন ডলারে ইএলএফ কোম্পানিকে বিক্রি করেন। ব্র্যান্ডে বিনিয়োগকারী থাকলেও চুক্তির বড় অংশ হেইলি ও জাস্টিন পাবেন, যার মধ্যে জাস্টিনের শেয়ার প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার। এই অর্থ দিয়ে দেনা পরিশোধ সম্ভব হতে পারে।
প্রায় ১৮ মাস আগে জাস্টিন তাঁর মিউজিক ক্যাটালগ ২০০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছিলেন, কিন্তু ট্যাক্স ও ব্যক্তিগত খরচ মেটানোর পর সেখানে তেমন অর্থ বাকি ছিল না। হেইলির প্রতিনিধি টিএমজেডকে জানিয়েছেন, রোড-এর বিক্রি হেইলির একটি বড় অর্জন, তবে এর সঙ্গে জাস্টিনের ব্যবসায়িক পরিস্থিতির কোনো সম্পর্ক নেই।
একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে পরিবার হেইলির আয়ের ওপর নির্ভরশীল, কারণ জাস্টিন কিছুদিন ধরে কাজ করছেন না। এ বিষয়ে জাস্টিন বা স্কুটারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।













































































































































































































































