বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনে প্রায় দুই দশক ধরে রোমান্টিক ঘরানার গল্পে অনবদ্য, অপ্রতিদ্বন্দ্বী জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। বিষয়টি তার পরবর্তী প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার। মিডিয়াতে গল্প, আড্ডায় নাটকের প্রাসঙ্গিকতা এলে অনায়াসে চলে আসে অপূর্ব’র নাম এবং বাংলাদেশের নাট্যাঙ্গনে তার অবদানের কথা।
অভিনয় জীবনে বহু জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে তার অভিনয় ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আলোচিত নাটক মিজানুর রহমান আরিয়ান পরিচালিত ‘বড় ছেলে’। এরপর আরও সুন্দর সুন্দর গল্পের নাটকে অভিনয় করেছেন এই এক্সপ্রেশন মাস্টার। অপূর্ব’র পরবর্তী সময়কালে দেখতে দেখতে বিশেষত দুইটা প্রজন্ম এসেছে; যারা নিজেদের অভিনয় দিয়ে দর্শকের ভালোবাসা পাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। তারপরও কাজের মাধ্যমে নিজ জায়গা ধরে রেখেছেন অপূর্ব।
অভিনয়ের পথে চলতে চলতে যদিও একসময় সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু অপূর্ব শেষমেশ ভেবে দেখলেন যে, নাটকটাই তার আসল জায়গা। যদিও অপূর্ব জানান, হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই সিনেমা নিয়ে একটি সুখবর দিতে পারবেন তিনি। সবকিছু চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে আপডেট দিতে চাচ্ছেন না। এদিকে, অপূর্ব যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে তার জীবনের প্রথম সংগীত সন্ধ্যাটাও করে ফেলেছেন। প্রথম শো কোনো স্পন্সর ছাড়াই তিনি বাজিমাত করেছেন তার গায়কী দিয়ে। কিছুদিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আরও একটি একক শো করতে যাচ্ছেন। পাশাপাশি যুক্তরাজ্য এবং কানাডাতেও শোয়ের আলাপ চলছে। আজ অপূর্ব আবার ফিরে যাচ্ছেন আমেরিকায়, তার কন্যার প্রথম জন্মদিনের কারণে।
তবে যে ক’টা দিন এবার দেশে ছিলেন সে সময়টুকু পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন একের পর এক নাটকে শুটিং করে। অপূর্ব বলেন, সিনেমা নিয়ে আসলে পরিকল্পনা, কথাবার্তা হচ্ছে। এর বেশি কিছু আপাতত বলতে চাই না। আর আমার পরবর্তী প্রজন্ম, যারা অভিনয় করতে এসেছে তাদের মধ্যে অনেকেই ভালো করছে। কাজ দেখলে বোঝা যায় যে, তারা খুব শ্রম দিচ্ছে। তবে তাদের ভাগ্যটা একদিকে একটু মন্দ যে আমি, আমরা যে সময়টাতে কাজ শুরু করেছি সেই সময় নাটকে অনেক কিংবদন্তি শিল্পীকে পেয়েছি। এখন তাদের অনেকেই নেই, আবার অনেকে কাজও করছেন না। সেদিক দিয়ে আমি খুব লাকি।













































































































































































































































