সিতারে জমিন পর-sitare zameen par-newsedge24

‘সিতারে জমিন পর’, আমির খানের তিন বছর পর প্রেক্ষাগৃহে প্রত্যাবর্তনের চলচ্চিত্র, মুক্তির আগে সমালোচকদের নিম্ন প্রত্যাশা ও নেতিবাচক প্রচারণা সত্ত্বেও বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছে। ২০০৭ সালের ‘তারে জমিন পর’–এর আধ্যাত্মিক সিকুয়েল এবং ২০১৮ সালের স্প্যানিশ চলচ্চিত্র ‘ক্যাম্পিওনেস’–এর হিন্দি রিমেক এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন আর এস প্রসন্ন। আমির খানের পাশাপাশি জেনেলিয়া ডি’সুজা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ১০ জন নবাগত শিল্পী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

ক্তির আগে অগ্রিম টিকিট বিক্রি নিয়ে হতাশা এবং রিমেক নিয়ে সমালোচনা থাকলেও, ২০ জুন, ২০২৫–এ মুক্তির পর ছবিটি দর্শক ও সমালোচকদের মন জয় করেছে। প্রথম দিন (শুক্রবার) ১১.৫ কোটি রুপি। দ্বিতীয় দিন (শনিবার) ১০২.৮০% বৃদ্ধি পেয়ে ২১.৭ কোটি রুপি আয়। তৃতীয় দিন (রোববার) ভারতের সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ২৮.২২ কোটি রুপি আয়, যা প্রথম দিনের তুলনায় ৩৯.৭০% বৃদ্ধি। চতুর্থ দিন (সোমবার) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে আয় কিছুটা কমে ৮.৫ কোটি রুপি, তবে মোট ৬৬.৬৫ কোটি রুপি (ভারত নেট) এবং বিশ্বব্যাপী ৯৫.৭৫ কোটি রুপি।

ধারণা করা হচ্ছে, পাঁচ দিনে ছবিটি ভারতীয় বক্স অফিসে ১০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করবে। এটি আমিরের পূর্ববর্তী ছবি ‘লাল সিং চাড্ডা’ (৬১.৩৬ কোটি) এবং জেনেলিয়ার ‘জানে তু… ইয়া জানে না’ (৫৫.৩৬ কোটি) ছাড়িয়ে গেছে, যা জেনেলিয়ার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ আয়কারী ছবি।

‘সিতারে জমিন পর’ একজন বাস্কেটবল কোচের গল্প, যিনি মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য কমিউনিটি সার্ভিস হিসেবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ সাজা পান। ছবিটি সংবেদনশীলতা, অন্তর্ভুক্তি, এবং ব্যক্তিগত উন্নতির বার্তা প্রদান করে। সমালোচকরা ছবির হৃদয়স্পর্শী বার্তা এবং নতুন শিল্পীদের অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন, যদিও কেউ কেউ মনে করেন এটি ‘তারে জমিন পর’–এর মতো গভীর প্রভাব ফেলতে পারেনি।

হিন্দুস্তান টাইমসের রিভিউতে বলা হয়, “ছবিটি থিয়েটারে দেখার জন্য তৈরি, যেখানে হাসি, কান্না এবং দর্শকদের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া এর প্রভাব বাড়ায়।” ট্রেড অ্যানালিস্ট সুমিত কাদেল ছবিটিকে “২০২৫–এর সেরা চলচ্চিত্র” আখ্যা দিয়ে বলেন, এটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *