দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু চার বছর পর নীরবতা ভেঙে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ, মায়োসাইটিস রোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের মতো ব্যক্তিগত সংগ্রাম নিয়ে মুখ খুলেছেন। ২০২১ সালে অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি এই অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত হন, যা তাঁর জীবনকে বদলে দেয়। এই কঠিন সময়ে জনসাধারণের সমালোচনা এবং কঠোর প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৫-এর ‘অথেন্টিসিটি’ বিষয়ক সেশনে তিনি এই অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন।
সামান্থা বলেন, “আমি সবসময়ই বাস্তবতা তুলে ধরতে চেয়েছি। আমার অনুসারীরা আমার বিচ্ছেদ এবং অসুস্থতার সংগ্রাম সম্পর্কে জানেন, কারণ আমি এগুলো জনসমক্ষে এনেছি।” তিনি যোগ করেন, “এর ফলে অনেকে ট্রল করেছেন, নিজেদের মতামত দিয়েছেন। আমি নিখুঁত নই, আমার ভুল হতে পারে, আমি হোঁচট খেতে পারি। তবে আমি আরও ভালো হওয়ার চেষ্টা করছি।” তিনি পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীদের উপর বিচারের কথা তুলে ধরে বলেন, “বিবাহবিচ্ছেদের পর নারীদের লজ্জা এবং কলঙ্কের মুখোমুখি হতে হয়।”
২০১০ সালে ‘ইহে মায়া চেসাভে’ ছবিতে কাজ করার সময় সামান্থা ও নাগা চৈতন্য প্রেমে পড়েন এবং ২০১৭ সালে গোয়ায় বিবাহ করেন। কিন্তু ২০২১ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে, যা ফ্যানদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর সামান্থা মায়োসাইটিসে আক্রান্ত হন, যার কারণে তিনি অভিনয় থেকে দূরে সরে যান। তিনি বলেন, এই সময়ে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং “সবচেয়ে খারাপ চিন্তা” মাথায় এসেছিল। তবুও তিনি সাহস হারাননি এবং এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।
আরও পড়ুন: সামান্থা ও রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে লিভ-ইন এর পরিকল্পনা
নাগা চৈতন্যও বিচ্ছেদ নিয়ে বলেন, “আমরা ভিন্ন পথে যেতে চেয়েছিলাম, তাই এটা একটা সচেতন সিদ্ধান্ত ছিল।” তিনি প্রশ্ন তোলেন, “সামান্থা এগিয়ে গেছেন, তাহলে আমাকে কেন অপরাধী হিসেবে দেখা হয়?” তাঁর বাবা নাগার্জুনের বিবাহবিচ্ছেদের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি এটিকে কঠিন কিন্তু জীবনের অংশ বলে মেনে নিয়েছেন।













































































































































































































































