ভারত-পাকিস্তানের চলমান সংঘাতের মধ্যে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলতে পাকিস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার নাহিদ রানা ও রিশাদ হোসেনকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবির একটি সূত্র দৈনিক মানবজমিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ভারতীয় বাহিনীর ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর অংশ হিসেবে পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে মঙ্গলবার রাতে হামলা চালানো হয়, যাতে অন্তত আটজন নিহত ও ৩৫ জন আহত হন। এর জবাবে পাকিস্তানও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে, এবং গোটা পাকিস্তানে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এর মধ্যে রাওয়ালপিণ্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কাছে একটি ড্রোন ভূপাতিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে। এই মাঠে আজ সন্ধ্যায় পেশোয়ার জালমির হয়ে করাচি কিংসের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা ছিল নাহিদ রানার। রিশাদ হোসেন লাহোর কালান্দার্সের হয়ে পিএসএলে খেলছেন এবং ইতোমধ্যে পাঁচ ম্যাচে নয়টি উইকেট নিয়েছেন।
বিসিবি জানিয়েছে, “নাহিদ ও রিশাদ বর্তমানে নিরাপদ আছেন, তবে আমরা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে তাদের ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বিসিবি বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং পিসিবির সঙ্গে সমন্বয় করে এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
এদিকে, পিএসএলে অংশ নেওয়া বিদেশি ক্রিকেটাররা পাকিস্তানে থাকতে নিরাপদ বোধ না করায় একযোগে আপত্তি জানিয়েছেন। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির কাছে তারা তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা ইতোমধ্যে দেশে ফেরার পথ খুঁজছেন। তবে পিসিবি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো বিদেশি ক্রিকেটার আনুষ্ঠানিকভাবে পিএসএল থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেনি, এবং টুর্নামেন্ট চলমান থাকবে।
নাহিদ রানা পেশোয়ার জালমির হয়ে এখনো পিএসএলে মাঠে নামেননি, কারণ তিনি সম্প্রতি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ খেলে পাকিস্তানে গিয়েছেন। রিশাদ হোসেন লাহোর কালান্দার্সের হয়ে ইতোমধ্যে দুর্দান্ত পারফর্ম করছেন। তবে রাওয়ালপিণ্ডির ড্রোন ঘটনা এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বিসিবি কোনো ঝুঁকি নিতে চায় না।


















































































































































































































































































































































































































































