সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিভা অন্বেষণমূলক কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। সারাদেশে শিশু-কিশোরদের মধ্য থেকে প্রতিভা অন্বেষণের জন্য এবারই প্রথম রাজধানীর বাইরে সিলেট থেকে এই বড় আয়োজন শুরু হলো।
ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, ব্যাডমিন্টন, দাবা, কারাতে ও সাঁতার — এই আটটি জনপ্রিয় ইভেন্টে খেলোয়াড় বাছাই হবে উপজেলা, জেলা, অঞ্চল ও জাতীয় পর্যায়ে। সারাদেশে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার শিশু-কিশোর এতে অংশ নেবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্যালারিভর্তি শত শত শিশু-কিশোরের উদ্দেশে দীর্ঘ বক্তব্যের পর তাদের সঙ্গে সরাসরি গল্পে মেতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজকের অনুষ্ঠানের চিফ গেস্ট কারা জানো? তোমরা এই গ্যালারিতে যারা বসে আছো, তোমরাই আজকের প্রধান অতিথি। তোমরাই হচ্ছো বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রায় সাড়ে চার বছর আগে লন্ডনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সঙ্গে আলাপের সময় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র পরিকল্পনা করা হয়।
শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, “তোমরা স্পোর্টসের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশকে পৃথিবীর সামনে তুলে ধরবে। তোমরা প্রত্যেকে একজন বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হবে। পড়ালেখা কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না, তবে একই সঙ্গে খেলতেও হবে। যে খেলোয়াড় হতে চায় তাকে খেলোয়াড় হতে হবে, যে গায়ক হতে চায় তাকে গায়ক হতে হবে। রাষ্ট্র সেই পথ তৈরি করে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
উল্লেখ্য, স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৬ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচি শুরু হয়। এবার তাতে যোগ হয়েছে খেলাধুলা।



















































































































































































































































































































































































































































