দেড় মাসেরও বেশি সময় চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকার পর ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে বোতাফোগোর বিপক্ষে মাঠে ফিরেছিলেন নেইমার জুনিয়র। কিন্তু এই প্রত্যাবর্তন তার জন্য মোটেই সুখকর হয়নি। সান্তোসের হয়ে খেলতে নেমে ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ৭৬তম মিনিটে হাত দিয়ে গোল করার চেষ্টায় লাল কার্ড দেখেন, ফলে দলকে দশজনের খেলায় নামতে হয়। এর দশ মিনিটের মধ্যেই বোতাফোগোর ভিক্তর গিমারায়েস একমাত্র জয়সূচক গোল করে ১-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেইমার রেফারির প্রথম হলুদ কার্ডের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, “দ্বিতীয় হলুদ কার্ড ঠিক ছিল, কিন্তু প্রথমটি ছিল হাস্যকর। এটি শুধুই আমার মতামত, দয়া করে আমাকে আর বাড়তি শাস্তি দেবেন না।” হারের দায় নিজের কাঁধে নিয়ে তিনি যোগ করেন, “আমি যদি মাঠ থেকে বের না হতাম, তবে আমরা নিশ্চিতভাবে এই তিন পয়েন্ট পেতাম। এই হারের দায় আমার ওপরই বর্তায়।”
ঘটনার বিবরণে, প্রথমার্ধে ফাউলের জন্য প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন নেইমার। গোলশূন্য বিরতির পর ৭৬তম মিনিটে সান্তোসের একটি আক্রমণে বোতাফোগোর গোলকিপার জন ভিক্তর বল রুখলেও তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হন। বল ছুটে আসা নেইমারের দিকে চলে যায়, এবং তিনি হাতের স্পর্শে বল জালে পাঠান। বোতাফোগোর খেলোয়াড়দের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদের পর রেফারি দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান, যা লাল কার্ডে রূপ নেয়।
এই হারে অবনমন অঞ্চলে থাকা সান্তোসের অবস্থা আরও শোচনীয় হয়েছে। ১১ ম্যাচে মাত্র ৮ পয়েন্ট নিয়ে এই ঐতিহাসিক ক্লাবটি এখন কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে।


















































































































































































































































































































































































































































