আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ভুটানের বিপক্ষে ফিফা প্রীতি ম্যাচে দেশের মাটিতে অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে হামজা চৌধুরীর। দীর্ঘ বিমানযাত্রা শেষে সোমবার দুপুরে ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিশ্রাম না নিয়ে বিকালেই অনুশীলনে যোগ দেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের এই তারকা। এই ম্যাচ দিয়ে প্রায় ৫৫ মাস পর আন্তর্জাতিক ফুটবল ফিরছে ঢাকার ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে। ইতালি প্রবাসী ফুটবলার ফাহমিদুল ইসলামকেও এই ম্যাচে কিছু সময়ের জন্য মাঠে নামানো হতে পারে। তবে, কানাডা জাতীয় দলে খেলা শমিত শোমের অভিষেকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ১০ জুনের সিঙ্গাপুর ম্যাচ পর্যন্ত।
এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের প্রস্তুতি হিসেবে ভুটানের বিপক্ষে এই ম্যাচটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। তিনি বলেন, “সিঙ্গাপুর ম্যাচ আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তবে ভুটান ম্যাচও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা আমাদের সেরাটা দেব। আমাদের মূল ফোকাস ম্যাচে জয়।” এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশ ‘সি’ গ্রুপে এবং ভুটান ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে। আগামী ১০ জুন বাংলাদেশ সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে, আর ভুটান খেলবে ব্রুনাইয়ের বিপক্ষে।
গত বছর সেপ্টেম্বরে থিম্পুতে ভুটানের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথমটিতে ১-০ গোলে জিতলেও দ্বিতীয় ম্যাচে একই ব্যবধানে হেরেছিল। জামাল ভূঁইয়া বলেন, “তখনকার পরিস্থিতি এবং এখনকার পরিস্থিতি ভিন্ন। তখন আমাদের বেশিরভাগ খেলোয়াড় ৩-৪ মাস খেলার বাইরে ছিল। এখন লীগ শেষ হওয়ায় সবাই ফিট এবং খেলার ছন্দে রয়েছে।”
বাংলাদেশ দলে বর্তমানে ছয়জন প্রবাসী ফুটবলার রয়েছেন, যা জামাল ভূঁইয়ার মতে দলের জন্য ইতিবাচক। তিনি বলেন, “ফ্রান্সের মতো দল, যেখানে বেশিরভাগ খেলোয়াড় প্রবাসী, তারা বিশ্বকাপ জিতেছে। আমাদের দলেও প্রবাসীদের সংখ্যা বাড়ছে, এটা দেশের ফুটবলের জন্য ভালো। স্থানীয় খেলোয়াড়রাও ভালো খেলছেন, তবে এই সমন্বয় আমাদের শক্তি বাড়াবে।”
কোচ হাভিয়ের কাবরেরা হামজা চৌধুরীকে নিয়ে বলেন, “হামজা ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত।” ফাহমিদুল ইসলাম সম্পর্কে তিনি বলেন, “তার কিছু সময় মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে।” তবে, শিলংয়ে ভারতের বিপক্ষে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডরা প্রথম ১৫ মিনিটে তিনটি সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেছিল। কাবরেরা এই ম্যাচে রাকিব হোসেনের ওপর ভরসা রাখছেন গোলের ঘাটতি কাটাতে। জামাল ভূঁইয়াকে মাঠে নামানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দলের জন্য যা ভালো, সেই সিদ্ধান্ত নেব।”


















































































































































































































































































































































































































































