বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল)-কে বিতর্কমুক্ত রাখতে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আসন্ন বিপিএলের চূড়ান্ত প্লেয়ার ড্রাফট থেকে সরাসরি বাদ দেওয়া হয়েছে অন্তত সাতজন ক্রিকেটারকে। গত আসরে তাদের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছিল এবং তারা বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের ‘রেড ফ্ল্যাগ’ জোনে চিহ্নিত হয়েছিলেন।
ড্রাফট থেকে বাদ পড়া ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন এনামুল হক বিজয়, মোসাদ্দেক হোসেন, শফিউল ইসলাম, আলাউদ্দিন বাবু, সানজামুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, নিহাদুজ্জামান এবং মুনির হাসান খান। বিসিবি সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ফিক্সিং বিতর্ক এড়াতে আমরা বদ্ধপরিকর। কোনো অভিযুক্ত ক্রিকেটারকে এবার সুযোগ দেওয়া হবে না।”
গত বিপিএল মৌসুমে ব্যাপক ফিক্সিং অভিযোগ ওঠার পর তিন সদস্যের স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি দীর্ঘ তদন্ত শেষে ৯০০ পৃষ্ঠার বিশদ প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে ১৮-১৯ জনকে চিহ্নিত করা হয়, যাদের মধ্যে ৮-১০ জন পেশাদার ক্রিকেটার। তাদের বিভিন্ন মাত্রায় ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। কমিটির সুপারিশ ছিল—অভিযুক্তদের টুর্নামেন্ট থেকে দূরে রাখা। বিসিবি সেই সুপারিশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে।
ইন্টিগ্রিটি ইউনিট প্রধান অ্যালেক্স মার্শালের প্রতিবেদনের ভিত্তিতেও এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বোর্ডের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, “রেড ফ্ল্যাগ জোনে থাকা কাউকে ছাড় দেওয়া হয়নি। বিপিএলের ভাবমূর্তি রক্ষায় আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি।”
আরও পড়ুন: বিপিএলে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি নোয়াখালী এক্সপ্রেস
বিসিবির এই সিদ্ধান্ত ঘরোয়া ক্রিকেটে স্বচ্ছতা ফেরানোর জন্য শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ক্রিকেটারদের জন্যও এটি একটি সতর্কবার্তা—অনৈতিক কাজে জড়ালে ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়বে।



















































































































































































































































































































































































































































