হামজা চৌধুরী-সোমিত শোম যুগে বাংলাদেশ ফুটবলের জোয়ার এসেছে দর্শক-স্পন্সর দুই ক্ষেত্রেই। গতকাল বাফুফে ভবনে নির্বাহী কমিটির সভা শেষে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু প্রথমবারের মতো তিনটি হোম ম্যাচের আয়ের হিসাব প্রকাশ করেন।
ম্যাচভিত্তিক মোট আয় (টিকিট + স্পন্সরশিপ + অন্যান্য খাত মিলিয়ে)
- বাংলাদেশ বনাম সিঙ্গাপুর: ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা
- বাংলাদেশ বনাম হংকং: ১ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ৮৭৪ টাকা
- বাংলাদেশ বনাম ভারত: ১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা
তবে ব্যয়ের হিসাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নেপাল ও ভুটানের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচের আয়-ব্যয়ের হিসাবও এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বাবু জানান, “ব্যয় নিয়ে কাজ চলছে, পরবর্তী সভায় জানানো হবে।” সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে তিনি স্বীকার করেন, সিঙ্গাপুর ম্যাচের ছয় মাস পার হলেও ব্যয়ের হিসাব তৈরি হয়নি। ভারত ম্যাচের কাগজপত্রও অর্থ বিভাগে পৌঁছেছে মাত্র এই সপ্তাহে।
সভার অন্যান্য সিদ্ধান্ত ও আলোচনা
- বাফুফের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- হিসাবপদ্ধতি সহজ ও স্বচ্ছ করার সুপারিশ করা হয়।
- জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে বরাদ্দ পাওয়া ৮টি স্টেডিয়ামের মধ্যে আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য প্রথম পছন্দ সিলেট, দ্বিতীয় পছন্দ গাজীপুর।
- ফিফার অর্থায়নে কক্সবাজারে টেকনিক্যাল সেন্টারের জন্য জমি হস্তান্তর না হলে অর্থ বরাদ্দ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে—বিষয়টি সভায় খুব বেশি সময় পায়নি।
- ২২টি আলোচ্যসূচির মধ্যে অনেকগুলোই সময়াভাবে আলোচনা ছাড়াই সভাপতির ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলকে ২ কোটি টাকা বোনাস ঘোষণা
বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, দর্শক ও স্পন্সরের এই জোয়ার ধরে রাখতে ফেডারেশন এখন আরও পেশাদার হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাধ্য হচ্ছে।



















































































































































































































































































































































































































































