ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার। গত বছর সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের আগে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) ভবনে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে নিষিদ্ধ ড্রাগ ‘ফুরোসেমাইড’ ও ‘ক্যানরেনোন’-এর উপস্থিতি পাওয়া যায়। এই দুটি পদার্থ মূলত শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়ার কাজ করে।
গত বৃহস্পতিবার সাউথ এশিয়া রিজিওনাল অ্যান্টি ডোপিং অর্গানাইজেশনের (সারাডো) প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থা (ওয়াডা) মাবিয়া আক্তারকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞার আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে।



















































































































































































































































































































































































































































