কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের হাসিমার কাটা সিকদার পাড়ায় মঙ্গলবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামায়াত নেতা আরিফুল ইসলাম (৩৫) খুন হয়েছেন। এ ঘটনায় একই পরিবারের চার নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় আরেকজন, খায়রুল সিকদার (৩০), গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহতের ভাই আরমান হোসেন বাদী হয়ে বুধবার রাতে এজাহারনামে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন, যেখানে অজ্ঞাত আরও তিনজনের উল্লেখ রয়েছে। প্রাথমিক অভিযানে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ টিম প্রধান আসামি সাজ্জাদ হোসেন প্রকাশ সুজন (৩৫)সহ তার মা ফাতেমা বেগম (৫৫), বোন রেশমী আক্তার (২২), ছোট ভাইয়ের বউ রচনা আক্তার (২৮) এবং স্ত্রী জাকিয়া সোলতানা সুমাইয়া (২৫)কে আটক করে। সবাই কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড খোজাখালি এলাকার বাসিন্দা।
চকরিয়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, মামলা রেকর্ডের পর আটককৃতদের চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজ্জাদ হোসেন সুজন হত্যা স্বীকার করেছেন। তিনি আরও জানান, জমির বিরোধের কারণে কিছুদিন পূর্বে সুজন ও আরিফুলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছিল, যেখানে সুজন হুমকি দিয়েছিলেন। এর পরবর্তীতে ছুরিকাঘাতে আরিফুল ঘটনাস্থলে মারা যান।
আহত খায়রুল সিকদার বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে অবশিষ্ট আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে।






























































































































































































































































































































































