কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজার এলাকায় বিএনপির সাইনবোর্ড ব্যবহার করে খাস জমিতে অবৈধভাবে ঘর তোলার অভিযোগে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক মৃধার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মানুষের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীরা। এই নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে ফজলুল মৃধার অনুসারীদের হাতে লাঞ্ছিতের শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন প্রবীণ বিএনপি নেতা।
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গত ৯ সেপ্টেম্বর নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের প্রবেশপথের পাশের খালে সরকারি খাস খতিয়ানের ৬৪৪১ নম্বর দাগের জমিতে ফজলুল হক ও তার অনুসারীরা একটি ঘর নির্মাণ করেন। জায়গাটি বাগিয়ে নেওয়ার জন্য ঘরে ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয় লেখা একটি সাইনবোর্ড ব্যবহার করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুসে ওঠেন বিএনপির নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনগণ।
অভিযুক্ত ফজলুল হক মৃধা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “খাস জমিতে ঘর নয়, কার্ডের জমিতে মালিকের সঙ্গে চুক্তিনামা করে ঘরটি তোলা হয়েছে।”
অন্যদিকে, নীলগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. মো. আবুল হোসেন বলেন, “দলীয় কার্যালয় হচ্ছে, তাও আবার খাস জমিতে অবৈধভাবে—এ সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। এ অবৈধ ঘরে দলের সাইনবোর্ড থাকবে, তা আবার প্রশাসন ভেঙে ফেলবে তখন দলের ভাবমূর্তি কোথায় থাকবে! দলের অফিস প্রয়োজন হলে ঘরভাড়া নেবো, তা না হলে বৈধ জায়গা কিনে নিজেরা ঘর তুলে নেবো। এই অবৈধ কাজের সঙ্গে আমি একমত নই।”
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, “এ ঘর তোলা সম্পর্কে আমাদের জানা নেই। খাস জমিতে অবৈধভাবে কোনো ঘর তোলা যাবে না। তবে সে যদি খাস জমিতে ঘর তুলে থাকে, তা সরিয়ে নেয়ার জন্য আমরা ইউনিয়ন বিএনপিকে বলে দিয়েছি।”
আরও পড়ুন: পাবনা-১ আসন পুনর্বহালের দাবিতে বেড়ায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ইয়াসিন সাদেক বলেন, “ঘরটি দ্রুত সময়ের মধ্যে সরিয়ে না নিলে ভেঙে দেয়ার কথা জানিয়েছেন।”






























































































































































































































































































































































