শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন-newsedge4

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র পাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এখনো ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের কাজ চলছে এবং এই প্রক্রিয়া ১ অক্টোবর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা চূড়ান্ত করা হবে।

আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত অনেক প্রার্থী ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। কারও কারও সঙ্গে যোগাযোগও করা যাচ্ছে না। এ কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার আগে তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র প্রদানের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত যাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে, সেগুলো যাচাই করা হবে। এরপর প্রাপ্ত তথ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, এসব প্রতিবেদনের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কারণ, যাদের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছিল, তাদের কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। তাই যারা এখনো নিয়োগপত্র পাননি, তাদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। যাচাই শেষে কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *