সংঘর্ষ-newsedge4

আদিতমারী উপজেলায় প্রতিবেশী নন্দিনীকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে বিধান চন্দ্র ও তার বাবাকে গ্রেপ্তারের সময় বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনায় পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, থানার ওসি নাজমুল হকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। বিক্ষুব্ধ জনতা প্রশাসনের সাতটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

স্থানীয়রা জানান, মাদকসেবী বিধান চন্দ্র প্রতিবেশী নন্দিনীকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে মাটিতে পুঁতে রাখেন। গ্রেপ্তার এড়াতে নিজ বাড়িতে তালা দিয়ে আত্মগোপন করেন তিনি। বিক্ষুব্ধ জনতা বাড়ি ভাঙচুর করে বিধানকে আটক করে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় জনতা প্রশাসনের গাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, “সকাল থেকে আমি নিজেও ঘটনাস্থলে ছিলাম। ইটের আঘাতে আমিও আহত হয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩ রাউন্ড সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আমাদের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। নন্দিনী হত্যায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্ত বিধান ও তার বাবাকে আটক করা হয়েছে। সরকারি কাজে বাধাদানের ঘটনায়ও মামলা দায়ের করা হবে।”

জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক বলেন, “এ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।”

1 comment on “নন্দিনী ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় লালমনিরহাটে বিক্ষোভ, পুলিশ সুপারসহ আহত ২০”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *