ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার-newsedge24

কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণাকালে দলের আমির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম জানিয়েছেন, দলটির ঘোষিত ইশতেহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’।

তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে জনপ্রত্যাশার উন্মেষ ঘটেছে, তা রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিফলিত করার অঙ্গীকার থেকেই এই ইশতেহার প্রণয়ন করা হয়েছে। ইশতেহারে নাগরিকের জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে ১২ দফা বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ক্ষমতায় গেলে এসব কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে।

ইসলামী আন্দোলনের ঘোষিত ১২ দফা বিশেষ কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি:

  • হতদরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা নগদ সহায়তা প্রদান।
  • প্রাথমিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন একবেলা করে পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা।
  • ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী যুবকদের জন্য সুদমুক্ত ও জামানতবিহীন এককালীন ঋণ প্রদান।
  • সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যকার্ড চালু।
  • ভর্তুকিমূল্যে কৃষি উপকরণ সরবরাহ ও কৃষকদের বিভিন্ন সেবা সহজলভ্য করতে কৃষিকার্ড চালু।
  • দেশে ও বিদেশে চাকরি অনুসন্ধান, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের সুবিধা সংবলিত ন্যাশনাল জব পোর্টাল চালু।
  • কর্মজীবী মায়েদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন।
  • ঢাকাসহ সব নগরে সরকার নিয়ন্ত্রিত ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক বাস ব্যবস্থাপনা চালু।
  • সেবাকেন্দ্রিক কর ব্যবস্থা প্রবর্তন।
  • সব নাগরিকের জন্য নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিতকরণ।
  • নারী পোশাক শ্রমিকদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা।
  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে অবৈধ সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া।
  • কওমি সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং রাষ্ট্রীয় পদে ওলামায়ে কেরামদের পদায়ন।

ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, এই কর্মসূচিগুলো জনগণের জরুরি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। ক্ষমতায় গেলে এগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন করা হবে।

আরও পড়ুন: নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সরকার প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

এই ইশতেহার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *