কক্সবাজারে জামায়াত-newsedge24

কক্সবাজার সদর উপজেলার ভারুয়াখালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি রহিম উদ্দিন সিকদার জামায়াত নেতার নেতৃত্বে হামলায় আহত হয়ে মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই ২০২৫) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে চট্টগ্রামের এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের ভাই ও ভারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান সিকদার।

ঘটনার বিবরণ

শফিকুর রহমান সিকদার জানান, গত ৫ আগস্টের পর থেকে কক্সবাজার লাইট হাউস ফাতেরঘোনা ইউনিট জামায়াত ইসলামীর সভাপতি আব্দুল আল নোমানের নেতৃত্বে একজন প্রবাসীর জায়গা দখলের চেষ্টা চলছিল। এ ঘটনায় প্রবাসীর পরিবার কক্সবাজার সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) তদন্তে গিয়ে উভয় পক্ষের কাগজপত্র পরীক্ষা করে সমস্যার সমাধান করেন। এ সময় নোমান মুচলেকা দেন যে, তিনি আর ওই জায়গায় যাবেন না। তবে এ ঘটনার জেরে নোমান শফিকুর রহমান ও তার পরিবারের ওপর ক্ষিপ্ত হন।

গত রোববার (১৩ জুলাই ২০২৫) পানিরছরা এলাকায় শফিকুর রহমানের চাচাতো ভাই জাহেদ সিকদারের মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও তাকে মারধর করা হয় জামায়াত নেতা নোমানের নেতৃত্বে। খবর পেয়ে ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সাকিব সিকদার, রহিম উদ্দিন সিকদার, শাহিন সিকদার ও জসিম সিকদার ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়।

হামলায় রহিম ও সাকিবের মাথায় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়, শাহিনের হাতে দা দিয়ে কোপানো হয় এবং জসিম মারাত্মকভাবে জখম হন। স্থানীয়রা তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সাকিব, রহিম ও শাহিনকে চট্টগ্রামে রেফার করা হয়।

আরও পড়ুন: লাল চাঁদ হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামি নান্নু কাজী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের এভার কেয়ার হাসপাতালে রহিম ও সাকিবের মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়, এবং শাহিনের হাতে ২২টি সেলাই করা হয়। মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহিম উদ্দিন সিকদার মারা যান। সাকিব এখনও আইসিইউতে চিকিৎসাধীন, এবং শাহিন ও জসিমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *