নাটোরের লালপুর উপজেলার বালিতিতা রামকৃষ্ণপুর ঈদের মাঠে গত ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতরের নামাজের পর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মো. ইমাম হাসান ডাবলু (৩৮) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। ডাবলু গোপালপুর পৌর যুবলীগের সক্রিয় কর্মী এবং গোপালপুর শিবপুর (খানপাড়া) গ্রামের মৃত মোজাফফর হোসেনের ছেলে।
লালপুর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ মে দিবাগত রাত ২টার দিকে গোপালপুর পৌরসভার শিবপুর খানপাড়া গ্রামে ডাবলুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি। গ্রেপ্তারের পর গতকাল (২২ মে) দুপুরে তাকে এবং সন্ত্রাস দমন আইনে জি আর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরেক আসামি নাঈম আল আজাদকে (৩৭) আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়। নাঈম ওয়ালিয়া গ্রামের আবুল কালাম আজাদের ছেলে।
গত ৩১ মার্চ লালপুর রামকৃষ্ণপুর চিনি বটতলা ঈদগাহ এলাকায় ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এতে বিএনপি কর্মী মো. শরিফুল ইসলাম সুজাতসহ পাঁচজন আহত হন। রাতে সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন শরিফুল ইসলাম। এ ঘটনায় শরিফুলের বাবা মো. আরজেল আলী বাদী হয়ে ৪২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ১০০-১৫০ জনের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় এর আগে গত ২১ মে উপজেলার কদমচিলান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাজিদুল ইসলামকে আটক করে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মমিনুজ্জামান জানান, গোলাগুলির ঘটনায় সন্ত্রাস দমন আইনে ডাবলু এবং জি আর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি নাঈম আল আজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।






























































































































































































































































































































































