চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সুহিলপুর বাজারে যুবলীগ নেতা মাসুদ খন্দকারের ছেলে মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাহফুজের (১৩) কাছ থেকে চার রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। সোমবার দুপুরে হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের এই ঘটনায় স্থানীয়দের মাধ্যমে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অস্ত্রটি জব্দ করে।
মাসুদ খন্দকার হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের সাড়াশিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ২০২৩ সালে ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড যুবলীগের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলেন। তাঁর ছেলে মাহফুজ সুহিলপুর এবিএস ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসার ছাত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহফুজের সঙ্গে প্রতিবেশি নাছিরের তর্কাতর্কির একপর্যায়ে মাহফুজ কোমর থেকে কালো রুমালে মোড়ানো একটি পিস্তল সদৃশ বস্তু বের করেন। এ সময় স্থানীয় যুবক ফারুক দ্রুত তা জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেন। ফারুক সংবাদকর্মীদের বলেন, “আমরা চা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ মারামারির শব্দ শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখি, ছেলেটির হাতে পিস্তলের মতো কিছু। সঙ্গে সঙ্গে সেটি উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেই।”
খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোরাদ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ এবং হাজীগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে চার রাউন্ড গুলিসহ পিস্তলটি উদ্ধার করেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “মাহফুজ নিজেই তার কোমর থেকে রুমালে মোড়ানো পিস্তলটি বের করে। আমরা নিজের চোখে দেখেছি।”
মাহফুজের মা দাবি করেন, এই পিস্তল ও গুলি পোলাপাইনে পেয়েছে, এবং এ নিয়ে মারামারি শুরু হয়। তিনি বলেন, “লোকজন জড়ো হলে আর্মি-পুলিশ এসে উদ্ধার করে।”
হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।






























































































































































































































































































































































