অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সরকারের সাম্প্রতিক অ-বাসমতি চাল আমদানির সিদ্ধান্তের কারণে বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরেছে। তবে নতুন করে দাম বাড়ার লক্ষণ দেখা যাওয়ায় আরও অতিরিক্ত আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “চালের দাম যাতে আর না বাড়ে, সেজন্যই এই আমদানির সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজারে পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অনেক সময় হঠাৎ দাম বেড়ে যায়—এটা ব্যবসায়ীদের একটি অংশের কারসাজি।”
ড. সালেহউদ্দিন বলেন, “নৈতিক শৃঙ্খলা ছাড়া কোনো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর হয় না। আমাদের ব্যবসায়ীদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করলে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের তদারকি কার্যকর হয় না।”
তিনি আরও বলেন, “অনেক দেশে দাম বাড়ে যৌক্তিক কারণে। কিন্তু আমাদের দেশে মজুত থাকলেও হঠাৎ দাম বাড়ে। অগ্রহায়ণে নতুন ধান বাজারে এলেও প্রত্যাশিত হারে দাম কমেনি।”
সিন্ডিকেটের অভিযোগের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, “বিষয়টি এককভাবে ‘সিন্ডিকেট’ বলে ব্যাখ্যা করা যায় না। সরবরাহ চেইনের আচরণগত গতিশীলতা ও বিতরণ ব্যবস্থা—বিশেষ করে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়—দামের তারতম্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে।”
আরও পড়ুন: পেঁয়াজ আমদানির সুপারিশ ট্যারিফ কমিশনের
উপদেষ্টা জোর দিয়ে বলেন, “শীতের শুরুতে যেন বাজারে অস্থিরতা না দেখা দেয়, সেজন্য সময়মতো আমদানি ও কঠোর তদারকির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।”

































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































