গাজার খান ইউনিসের আল তাহিলিয়া চত্বরে ত্রাণ নিতে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি বাহিনী মঙ্গলবার এলোপাতারি গুলি চালিয়েছে বলে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানা গেছে। এই নৃশংস হামলায় অন্তত ৪৫ জন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। হামাস-নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নাসের হাসপাতালে হতাহতের উপচে পড়া ভিড়ে জরুরি বিভাগ ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। ফলে চিকিৎসার অভাবে অনেক ফিলিস্তিনি প্রাণ হারাচ্ছেন।
এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন পরিচালিত ত্রাণ কেন্দ্রে, যেগুলো ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর কঠোর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় কাজ করে। সমালোচকরা এসব কেন্দ্রকে ‘মানব কসাইখানা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক সোমবার বলেন, ইসরাইলের যুদ্ধের পদ্ধতি গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ‘ভয়াবহ ও অযৌক্তিক দুর্ভোগ’ ডেকে এনেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৫৫,৩২৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
ইরান-ইসরাইল উত্তেজনার মধ্যেও গাজায় ইসরাইলের নির্বিচার হামলা অব্যাহত রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তীব্র সমালোচনা এবং যুদ্ধাপরাধের তদন্তের দাবি তুলেছে।













































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































