যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা-আসিফ মাহমুদ-newsedge24

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছেন না। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট ২০২৫) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন। পরে তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বলেন, “নির্বাচনকালীন সরকারে থাকছি না। রাজনীতির সঙ্গে যারা যুক্ত, তাদের নির্বাচনকালীন সরকারে থাকা উচিত নয়।”

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে, এবং ডিসেম্বরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আসিফ মাহমুদের এই ঘোষণা জনমনে কৌতূহল তৈরি করেছে—তিনি কি উপদেষ্টার পদ ছেড়ে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন, নাকি আসন্ন নির্বাচনে কোনো দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন?

আরও পড়ুন: আগামী নির্বাচন ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন হবে: তারেক রহমান

অনুষ্ঠানে আসিফ মাহমুদ বলেন, “২০১৮ সাল থেকে আমি রাজনীতিতে যুক্ত। তাই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সরকার থেকে সরে যাব।” তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, যার নেতৃত্বে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলন পরে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রূপ নেয়, যার ফলে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে এবং তিনি ভারতে পালিয়ে যান। এর পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারে আসিফ মাহমুদ, নাহিদ ইসলাম ও মাহফুজ আলম উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেন। গত ফেব্রুয়ারিতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সংগঠকদের নেতৃত্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠিত হয়, এবং নাহিদ ইসলাম এই দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব নেন। আসিফ মাহমুদের সরকার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা এই প্রশ্ন তুলেছে যে, তিনি কি এনসিপি বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *