২০২৫ সালে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। পুরো বছরে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ২৮১ কোটি ৬৮ লাখ ডলার বা ৩২.৮১ বিলিয়ন ডলার—যা এক বছরের হিসাবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালের তুলনায় এটি ৫৯২ কোটি ৭৯ লাখ ডলার বা ২২.০৪ শতাংশ বেশি।
শেষ মাস ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২২ কোটি ৭০ লাখ ডলার—একক মাস হিসেবে ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (সর্বোচ্চ মার্চে ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার)। নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৪ লাখ এবং ২০২৪-এর ডিসেম্বরে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ ডলার—গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮.১০ শতাংশ বেশি।
রেমিট্যান্স বাড়ার কারণসমূহ:
- সরকারের নগদ প্রণোদনা অব্যাহত থাকা
- ব্যাংকিং চ্যানেলে ভালো বিনিময় হার
- হুন্ডি দমনে নজরদারি জোরদার
- বছরের শেষে পরিবারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ পাঠানোর প্রবণতা
প্রভাব:
- ডলারের বাজার স্থিতিশীলতা
- টাকার মান ধরে রাখা সহজ
- আমদানি এলসি নিষ্পত্তিতে চাপ কমা
- জ্বালানি, খাদ্য ও কাঁচামাল আমদানিতে স্বস্তি
আরও পড়ুন: খেলাপি ঋণের সংকট কাটতে ৫-১০ বছর লাগবে: গভর্নর
৩০ ডিসেম্বর গ্রস রিজার্ভ ৩৩.১৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বিপিএম-৬ অনুযায়ী ২৮.৫১ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ধারা অব্যাহত থাকলে ডলার সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠা সম্ভব হবে।


































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































