abdul el-sayed-আবদুল এল-সাইয়েদ -010302-NewsEdge24 copy

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসাবে মিশিগানে জিতে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সাইয়েদ । ‘আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব নিজেদের ত্রুটি উপেক্ষা করার মধ্যে নয়; বরং সেগুলো সংশোধনের সাহসের মধ্যেই নিহিত।’ বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর এই কথা বলেন মিশিগানের নতুন এই সিনেটর। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সকে হারিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিসেবে তিনি জয়ী হয়েছেন।

মিশরীয় বংশোদ্ভূত এই মার্কিন চিকিৎসক ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতা নির্বাচনী প্রচারণার পুরোটা সময়ই ইসলামবিদ্বেষী আক্রমণের মুখে পড়েছেন। তার পরও তিনি সিনেট আসনটি দখল করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার তাকে লক্ষ্য করে আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি তাকে ‘জিহাদি’ বলেও আখ্যা দিয়েছেন। মিশিগানে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তাকে সিনেটে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আগে ধাতব বস্তু শনাক্তকরণ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এমন সিনেটর আর কেউ থাকবেন না।’

নিজ দলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিলেন এল-সাইয়েদ। গত আগস্টে ডেমোক্র্যাটদের সিনেটর প্রার্থী বাছাইয়ের নির্বাচনে তার কাছে হেরে যাওয়া হ্যালি স্টিভেনস দলীয় অবস্থান উপেক্ষা করে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক রজার্সকে সমর্থন দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: মার্কিন কংগ্রেসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন ডেমোক্রেটদের হাতে

বিজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধনীতির বিরোধিতা তুলে ধরে এল-সাইয়েদ আরও বলেন, ‘নিজেদের কর পরিশোধ করতে গিয়ে মানুষের এতটা ভোগান্তি হওয়া উচিত নয়। মানুষ যেন নিশ্চিত হতে পারে, তাদের দেওয়া অর্থ অন্য দেশের মানুষ ও তাদের সন্তানদের ওপর বোমা ফেলতে নয়, বরং নিজেদের ও নিজেদের সন্তানদের কল্যাণে ব্যয় করা হচ্ছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *