নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় দাবি করেছেন, তার ভারতবিরোধী অবস্থানের কারণেই তাকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে। দেশজুড়ে সহিংস বিক্ষোভ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষেধাজ্ঞার মধ্যে তিনি বর্তমানে কাঠমান্ডুর উত্তরে শিবপুরী ব্যারাকে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন। তবে এই সংকটের জন্য তিনি সরাসরি ভারতকে দায়ী করেছেন।
কেপি শর্মা ওলি অভিযোগ করেছেন, লেপুলেখ, কালাপানি, ও লিম্পিয়াধুরা নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিরোধ এবং অযোধ্যায় ভগবান রামের জন্ম নিয়ে তার বিতর্কিত মন্তব্য তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, “যদি আমি এসব ইস্যুতে ভারতের বিরোধিতা না করতাম, তাহলে হয়তো ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারতাম।” তিনি আরও দাবি করেছেন, শ্রী রামের জন্ম নেপালে হয়েছিল, ভারতে নয়, যা শাস্ত্রে উল্লেখ আছে বলে তিনি মনে করেন।
এক চিঠিতে ওলি লিখেছেন, “আমি একটু একগুঁয়ে স্বভাবের। এই একগুঁয়েমি না থাকলে হয়তো অনেক আগেই সব ছেড়ে দিতাম। আমি দৃঢ়ভাবে বলেছিলাম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে নেপালের আইন মানতে হবে এবং স্থানীয়ভাবে নিবন্ধন করতে হবে। আমি জোর দিয়ে বলেছিলাম, লেপুলেখ, কালাপানি, ও লিম্পিয়াধুরা নেপালের অংশ।” তিনি আরও বলেন, “যদি আমি নেপালের মানচিত্র জাতিসংঘে না পাঠাতাম বা এসব অবস্থান থেকে সরে যেতাম, তাহলে হয়তো আমার জীবন অনেক সহজ হতো। কিন্তু আমি আমার সবকিছু রাষ্ট্রের জন্য দিয়েছি।”
আরও পড়ুন: নেপালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সেনাবাহিনীর হুশিয়ারি
মঙ্গলবার একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে কেপি শর্মা ওলি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তবে তিনি এখন স্পষ্ট করেছেন, তিনি শিবপুরীতে নেপাল সেনাবাহিনীর ব্যারাকে রয়েছেন। অনলাইন উইওয়ানএর প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।













































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































