মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানকে সতর্ক করে বলেছেন, ইসরাইলের হামলার জবাবে মার্কিন ঘাঁটি বা স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু না করতে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “ইসরাইলের হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। ইরানের উচিত মার্কিন স্বার্থ বা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া।” রুবিও জানান, ইসরাইল তাদের আত্মরক্ষার জন্য এই হামলা চালিয়েছে বলে মার্কিন প্রশাসনকে অবহিত করেছে। প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসন মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তায় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে।
ইসরাইলের হামলার খবরে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ ডলার পর্যন্ত বেড়েছে, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৪.৭% বৃদ্ধি পেয়ে ৭১.৬৫ ডলারে পৌঁছেছে। রোববার ওমানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ষষ্ঠ দফার আলোচনার কথা থাকলেও, এই হামলার পর আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকে। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ইসরাইলের সম্ভাব্য হামলা নিয়ে সতর্ক করেন, তবে শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশা পুনর্ব্যক্ত করেন। মার্কিন গোয়েন্দারা ইঙ্গিত দিয়েছিল, ইসরাইল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করছে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সব পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সেনাবাহিনী প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং বেসামরিক মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনাও চলছে।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































