যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে আবারও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
সোমবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২.৬৭ ডলার বা ৩.৫১ শতাংশ বেড়ে ৭৮.৬৮ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২.৪৮ ডলার বা ৩.৪৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ব্যারেলপ্রতি ৭৩.৮৯ ডলারে।
অস্ট্রেলিয়া অ্যান্ড নিউজিল্যান্ড (এএনজেড) ব্যাংকের বিশ্লেষকরা বলছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আরও সতর্ক। ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে।
সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে।
যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের দৈনিক মোট অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। রোববার প্রণালিটি দিয়ে মাত্র ছয়টি জাহাজ অতিক্রম করেছে, যা পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন।
সাম্প্রতিক হামলার ফলে গত মাসে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতা চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) জানিয়েছে, জুন মাসে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ বাড়লেও তা এখনো যুদ্ধ-পূর্ব সময়ের তুলনায় দৈনিক প্রায় ৯৪ লাখ ব্যারেল কম।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বন্ধ ঘোষণার পরও হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।




































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































1 comment on “ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে অস্থির তেলের বাজার”