যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা প্রবেশ শুরু হয়েছে। মিশর সীমান্তবর্তী রাফাহ ক্রসিং দিয়ে ত্রাণবাহী ট্রাকগুলো গাজায় প্রবেশ করতে শুরু করেছে, যদিও এখনো প্রয়োজনের তুলনায় পরিমাণ অনেক কম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। রোববার সকাল থেকে রাফাহ অঞ্চলে শত শত ট্রাক জড়ো হয়েছে, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী পুরোদমে প্রবেশের প্রত্যাশা সত্ত্বেও বাস্তবে প্রতিদিন মাত্র ২-৩টি ট্রাকই প্রবেশ করছে।
ইউনিসেফ কর্মকর্তা জেমস এলডার এই পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “এখনো যে পরিমাণ ত্রাণ প্রবেশ করছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। এর সমাধান খুব সহজ—আরও ৫-৬টি প্রবেশপথ খুলতে হবে। এক পথ দিয়ে তো এক হাজার ট্রাক সহসা প্রবেশ করতে পারবে না।” তিনি যোগ করেন, জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলো অনেকদিন ধরে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। ইউনিসেফ বিশেষ করে শিশু ও গর্ভবতী নারীদের জন্য খাবার, শীতের পোশাক এবং জুতা সরবরাহ করতে প্রস্তুত।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, তাদের সবগুলো ত্রাণবাহী লরি এখনো গাজায় প্রবেশ করেনি। এই বিলম্ব গাজার সংকটগ্রস্ত জনগণের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। চুক্তি অনুসারে, রাফাহ ক্রসিং-এর পুনরায় খোলা হয়েছে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের তত্ত্বাবধানে চলবে। মিশর থেকে ৪০০টি ট্রাকের ত্রাণ প্রবেশের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, কিন্তু ইসরায়েলি নিরাপত্তা পরীক্ষার কারণে বিলম্ব হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ওবামা কিছু না করেই নোবেল পেলেন, দেশ ধ্বংস করলেন; ট্রাম্পের কটাক্ষ
গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মানবিক সংকটের গভীরতা কমেনি। ইউএন কর্মকর্তারা আরও বেশি প্রবেশপথ খোলার দাবি জানিয়ে বলছেন, এটি ছাড়া সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে এখন ত্রাণ সরবরাহ ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































