২০২১ সালে সৌদি আরবের রাজকীয় ডিক্রির মাধ্যমে নাগরিকত্ব অর্জনকারী বিজ্ঞানী ওমর এম ইয়াগি এবার রসায়নে নোবেল পুরস্কার জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

তার অ্যাকাডেমিক জীবনে তিনি অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২ সাল থেকে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলেতে জেমস ও নেলজে ট্রেটার প্রফেসর অব কেমিস্ট্রি হিসেবে কর্মরত। এছাড়া তিনি মলিকুলার ফাউন্ড্রি, কাভলি এনার্জি ন্যানোসায়েন্স ইনস্টিটিউট, ক্যালিফোর্নিয়া রিসার্চ অ্যালায়েন্স এবং বাকার ইনস্টিটিউট অব ডিজিটাল ম্যাটেরিয়ালস ফর দ্য প্ল্যানেটের পরিচালক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

নোবেল জয়ের আগেই ওমর ইয়াগি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এবং জার্মানির লিওপোল্ডিনা ন্যাশনাল অ্যাকাডেমির সম্মানিত সদস্য। ২০২৫ সালে তিনি কার্নেগি কর্পোরেশন অব নিউ ইয়র্কের গ্রেট ইমিগ্র্যান্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

নোবেল জয়ের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ওমর ইয়াগি বলেন, আমার পিতামাতার লেখাপ�ড়ার সুযোগ খুবই সীমিত ছিল। ё

। এই যাত্রা ছিল দুরূহ, কিন্তু বিজ্ঞান আমাকে এই অসাধারণ সম্মান অর্জনের পথ দেখিয়েছে।

এই নোবেল জয়ের মাধ্যমে ওমর ইয়াগি মুসলিম বিজ্ঞানীদের মধ্যে ১৬তম নোবেল বিজয়ী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। এর আগে এই সম্মান পেয়েছেন: আনোয়ার সাদাত (১৯৭৮, শান্তি), আবদুস সালাম (১৯৭৯, পদার্থবিজ্ঞান), নাগিব মাহফুজ (১৯৮৮, সাহিত্য), ইয়াসির আরাফাত (১৯৯৪, শান্তি), আহমেদ জেওয়াইল (১৯৯৯, রসায়ন), শিরিন এবাদি (২০০৩, শান্তি), মোহাম্মদ এলবারাদেই (২০০৫, শান্তি), মুহাম্মদ ইউনূস (২০০৬, শান্তি), ওরহান পামুক (২০০৬, সাহিত্য), তাওয়াক্কুল করমান (২০১১, শান্তি), মালালা ইউসুফজাই (২০১৪, শান্তি), আজিজ সানকার (২০১৫, রসায়ন), আবদুলরাজাক গুরনাহ (২০২১, সাহিত্য), মৌঙ্গি বাওয়েন্দি (২০২৩, রসায়ন), নার্গেস মোহাম্মাদি (২০২৩, শান্তি) এবং ওমর এম ইয়াগি (২০২৫, রসায়ন)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *