মার্কিন সামরিক অস্ত্র ভাণ্ডার-010141-NewsEdge24

যুক্তরাষ্ট্রের এক সরকারি ওয়াচডগ সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে মার্কিন সামরিক ভাণ্ডারে অত্যাধুনিক অস্ত্রের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সামরিক বাহিনী কৌশলগত অস্ত্রের ঘাটতি ও অত্যাধুনিক অস্ত্র সরবরাহে মারাত্মক অচলাবস্থার মুখে পড়েছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র দপ্তর এবং ইউএসএআইডির পরিদর্শকদের যৌথ পর্যালোচনায় এই মূল্যায়ন তৈরি করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাস্ত্র ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন এই প্রথম আনুষ্ঠানিক হিসাব তুলে ধরেছে বলে অনলাইন আল-জাজিরা জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞদের মতামত উদ্ধৃত করে বলা হয়, অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধ ব্যবস্থার মজুত যুদ্ধপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের অন্তত তিন বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি

প্রতিবেদনে সামরিক সম্পদের বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষতির বিবরণও দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকাশ পায় যে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ইরাক, ওমান এবং জর্ডান—এই আটটি দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটির শত শত স্থাপনা ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।

আরও পড়ুন:  এআইয়ের ঝুঁকির শঙ্কা উড়িয়ে দিলেন ট্রাম্প

এছাড়া এসব হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক ডজন সামরিক বিমান ও ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রতিবেদনে ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচের পূর্ণাঙ্গ হিসাবও তুলে ধরা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *