ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর পরিবার ও বড় ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক ১২টি আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রতিষ্ঠান ও ল-ফার্মের সঙ্গে গোপনীয়তা চুক্তি করার নির্দেশ দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের নেতৃত্বে আজ এক সভায় ব্যাংকগুলোর পরিচালকদের উপস্থিতে এই আদেশ জারি হয়।

ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ওমর ফারুক খান বাসসকে জানান, “ব্যাংকগুলো আন্তর্জাতিক আইন ও পুনরুদ্ধার সংস্থার সাহায্যে পাচার অর্থের উৎস খুঁজে ফিরিয়ে আনবে।”

তিনি বলেন, “এই সংস্থাগুলো প্রশাসনিক ও আইনি সমর্থন দিয়ে ফেরত আনার প্রক্রিয়া সহজ করবে।”

তিনি আরও জানান, “কিছু ব্যাংক কনসোর্টিয়াম গঠন করে চুক্তি করবে, যা সম্পন্ন হলে ফিরে পাওয়া অর্থের ব্যবস্থা নির্ধারিত হবে।”

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “সরকার প্রাথমিকভাবে ১১টি শিল্পগোষ্ঠীকে পাচারে জড়িত সন্দেহ করে শনাক্ত করেছে, যার মধ্যে নাসা ও এস আলম গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত।”

ওমর ফারুক খান জানান, “নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় পুনরুদ্ধার সংস্থার সঙ্গে কাজ চলছে, প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।”

সংবাদানুসারে, শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের পাশাপাশি সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের আরামিট গ্রুপ, এস আলম, বেক্সিমকো, সিকদার, নাসা, ওরিয়ন, জেমকন, নাবিল ও সামিটসহ প্রতিষ্ঠান অভিযুক্ত।

দাবি রয়েছে, এসব গোষ্ঠীর মাধ্যমে পাচার অর্থ শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সুবিধার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের উপকারে লাগিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *