ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ২০২৫, ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গ্রহণ সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে, এবং এটি সাধারণত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। তবে, ফলাফল ঘোষণার সময় সন্ধ্যা থেকে উত্তেজনা শুরু হয়। রাত দেড়টার পর থেকে ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়, এবং ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থীরা সহসভাপতি (ভিপি), সাধারণ সম্পাদক (জিএস), এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে এগিয়ে আছেন।
মো. আবিদুল ইসলাম
ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম ফলাফল ঘোষণার সময় রাত ২:২০-এ ফেসবুকে একটি পোস্টে ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি লিখেছেন:
‘পরিকল্পিত কারচুপির এই ফলাফল দুপুরের পরপরই অনুমান করেছি। নিজেদের মতো করে সংখ্যা বসিয়ে নিন। এই পরিকল্পিত প্রহসন প্রত্যাখ্যান করলাম।’
তিনি ফলাফলকে “পরিকল্পিত কারচুপি” হিসেবে অভিহিত করেন এবং এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।
শেখ তানভীর বারী হামিম
ছাত্রদলের জিএস প্রার্থী শেখ তানভীর বারী হামিম একই সময়ে (রাত ২:২০) ফেসবুকে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি ফলাফলের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রত্যাখ্যান না জানিয়ে শিক্ষার্থীদের রায়ের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন, তবে কিছু অনিয়মের কথা উল্লেখ করেন। তিনি লিখেছেন:
‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যদি মনে করেন—এটিই তাঁদের রায়, তবে এই রায়কে আমি সম্মান জানাই। আমি শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষমাণ। আজকে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এ ভোটানুষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও কয়েকটি কেন্দ্রে অনিয়ম দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গণনার ক্ষেত্রে মেশিনের ত্রুটি, জালিয়াতি ও কারচুপি পরিলক্ষিত হয়েছে।’
‘যাহোক, প্রিয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আমি বরাবরই আপনাদের কাছে, আপনাদের ভালোবাসায় ঋণী। আমি আপনাদের সাথে ছিলাম, আছি এবং যত দিন থাকব আপনাদের পাশেই থাকব।’
উমামা ফাতেমা
স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা রাত আড়াইটার দিকে ফেসবুকে একটি সংক্ষিপ্ত পোস্টে লিখেছেন:
‘চলিতেছে সার্কাস। কে কে দেখছেন?’
তিনি ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়াকে “সার্কাস” হিসেবে ব্যঙ্গ করেন, যা ফলাফলের প্রতি তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ করে।
আরও পড়ুন: ডাকসু নির্বাচনে সাদিক কায়েম-ফরহাদ ভিপি ও জিএস পদে এগিয়ে
ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণ হলেও, কিছু কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উদাহরণস্বরূপ, কার্জন হলে একজন ভোটারকে দুটি ব্যালট দেওয়ার ঘটনা ঘটে, যা পরে সংশোধন করা হয়। আবিদুল ইসলাম এবং শেখ তানভীর বারী হামিম উভয়েই ভোট গণনায় মেশিনের ত্রুটি এবং জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































