সাকিব আল হাসান-আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া-newsedge4

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকা সাকিব আল হাসানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘোষণার মতো এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও সাকিব নিজে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি, তবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া সোমবার রাতে এক বেসরকারি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে বলেন, সাকিবকে আর বাংলাদেশের পক্ষে খেলতে দেওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, “তাকে বাংলাদেশের পতাকা বহন করতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের জার্সির পরিচয় বহন করতে দেওয়া এটা আমার পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ইতিপূর্বে বিসিবিকে না বললেও এখন আমার বোর্ডের প্রতি স্পষ্ট নির্দেশনা থাকবে, সাকিব আল হাসান আর কখনো বাংলাদেশ টিমে খেলতে পারবেন না।”

এই ঘটনার পটভূমি গত দুই দিন ধরে সাকিব এবং আসিফ মাহমুদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলা তীব্র ভার্চুয়াল বিতর্ক। এই বিতর্কের সূচনা হয় জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে পতিত সরকারপ্রধান শেখ হাসিনার জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তাকে কেন্দ্র করে। গত রোববার রাত ১০টার দিকে আসিফ মাহমুদ তার ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দেন, যাতে তিনি লিখেন, “একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। বাট আই ওয়াজ রাইট। ইন্ড অব দ্য ডিসকাশন।”

এর জবাবে রোববার রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে সাকিব আল হাসান নিজের ফেসবুকে লিখেন, “যাক শেষমেশ কেউ একজন স্বীকার করে নিলেন যে তার জন্য আমার আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেওয়া হলো না। বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না।” এই পোস্টে সাকিবের হতাশা ও ব্যঙ্গ স্পষ্ট ছিল।

আরও পড়ুন: সাকিব আল হাসানের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে নতুন দুদক কর্মকর্তা নিয়োগ

সাকিবের এই প্রতিক্রিয়ায় উত্তেজিত হয়ে সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে আসিফ মাহমুদ আবার ফেসবুকে লিখেন, “ভাইয়া, আমাকে জোর করে নমিনেশন দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধু নির্বাচনটাই করেছিলাম, আওয়ামী লীগের দলীয় রাজনীতিতে জড়িত হইনি। ইউ নো হু। যার হাত ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত, তাকে বাংলাদেশের পতাকা বহন করতে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

বোর্ডের কর্তারা একাধিকবার রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করতে বললেও তা না করে বরং খুনিদের এনডোর্স করা ছাড়াও শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারি, মানি লন্ডারিং, ফিন্যান্সিয়াল ফ্রড করা কাউকে কেন শুধু ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করতে হবে? আইন সবার জন্য সমান, ফেইস ইট।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *