গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তান-newsedge4

রংপুর নগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়ায় জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চার হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মেট্রোপলিটনের উপ পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) সনাতন চক্রবর্তী।

এর আগে, গতকাল রোববার দুপুর সোয়া ১টার দিকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে যান রংপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল। এ সময় ডিবির সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী ছিলেন। কারাগারে যাওয়ার আগে আসামিদের নিরাপত্তার স্বার্থে টেকনোলজিস্টকে কারাগারে পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে অনুরোধ জানায় ডিবি। অনুমতি পাওয়ার পর তারা নমুনা সংগ্রহের জন্য কারাগারে যান।

এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী বলেন, ‘আদালত ডোপ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করার পর আসামিদের নমুনা সংগ্রহের জন্য কারাগারে যাওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আসামিদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। এ কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের টেকনোলজিস্টদের কারাগারে নিয়ে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।’

রংপুর মেট্রোপলিটনের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, ‘ডোপ টেস্টের জন্য সংগৃহীত আসামিদের ইউরিনে মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ৯ দিন পরে নমুনা সংগ্রহ করার কারণে হয়তোবা মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। তবে মামলার তদন্ত কাজ চলমান থাকবে।’

আরও পড়ুন:

শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

এর আগে, গত ২২ আগস্ট রংপুর মহানগরীর কামালকাছনা মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রতিবেশী দুই যুবক সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যার ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর নগরীর কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *