বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশে খাদ্য ও পুষ্টির বড় যোগান আসে উত্তরবঙ্গ থেকে। অথচ বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে উত্তরবঙ্গকে পরিকল্পিতভাবে গরিব করে রাখা হয়েছে। এই অঞ্চলের সঙ্গে সৎ মায়ের সন্তানের মতো আচরণ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে অঞ্চলটিকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। আমরা এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে চাই।
শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড়ের চিনিকল মাঠে জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, মহান আল্লাহ উত্তরবঙ্গকে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও করতোয়ার মতো চারটি বড় নদী দিয়েছেন, কিন্তু অব্যবস্থাপনা ও অবহেলায় আজ এসব নদী মরুভূমির মতো পড়ে আছে। যারা শুধু নির্বাচনের সময় মানুষের খোঁজ নেয় আর পরে আর পাওয়া যায় না—তাদের সঙ্গে সম্পর্ক কেন রাখবেন? আমরা এই ধরনের রাজনীতি ঘৃণা করি। বিপদের সময়েও আমরা দেশবাসীকে ফেলে কোথাও পালিয়ে যাব না।
তিনি বলেন, মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে বলতে চাই, এই উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে দেওয়ার জন্য পাঁচটি বছর যথেষ্ট হবে। আমরা যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি, তাহলে উত্তরবঙ্গের চেহারা বদলে যাবে, ইনশাল্লাহ। এই এলাকার মাটি উর্বর। এই এলাকা পিছিয়ে থাকার কোনো প্রশ্নই উঠে না।
এ সময় ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ১০ দলের জোটকে আপনারা ভোট দিন। আমাদের পার্লামেন্টে পাঠান যাতে সরকার গঠন করতে পারি। আমরা কথা দিচ্ছি, আমরা পরিবর্তন আনবো। মানুষের জীবনে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনবো, ইনশাল্লাহ।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হুসাইনের সভাপতিত্বে জনসভায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল হালিম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, ১০ দলীয় জোটের পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী সারজিস আলম, পঞ্চগড়-২ আসনের প্রার্থী সফিউল আলমসহ ১০ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
১০ দলীয় জোটের নির্বাচনী সমাবেশে জামায়াতের আমির পঞ্চগড়-১ আসনে ১০ দলের শরিক এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের হাতে শাপলা কলি প্রতীক এবং পঞ্চগড়-২ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী শফিউল আলমের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































