ভারতে করোনা সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ভারত সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (৯ জুন) একদিনে ৩৫৮ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, ফলে দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৬,৪৯১-এ পৌঁছেছে। এই দিন পর্যন্ত ৬৫ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
কেরালায় সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি, যেখানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১,৯৫৭। এরপরেই রয়েছে গুজরাট (৯৮০), পশ্চিমবঙ্গ (৭৪৭) এবং দিল্লি (৭২৮)। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ৪২ জন এবং পশ্চিমবঙ্গে ৫৪ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বর্তমানে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ। সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক পর্যালোচনা বৈঠকে রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কোভিড শব্দটি শুনলেই আমরা ভয় পাই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।” তবে বেসরকারি হাসপাতালের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বর্তমান সংক্রমণ বৃদ্ধির পেছনে ওমিক্রনের নতুন উপ-ভেরিয়েন্টগুলো (জেএন.১, এনবি.১.৮.১, এলএফ.৭ এবং এক্সএফজি) দায়ী। এই ভেরিয়েন্টগুলোর সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হালকা উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এগুলোকে ‘পর্যবেক্ষণাধীন রূপ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং এখনও উদ্বেগের কারণ নেই বলে জানিয়েছে। তবে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনার জন্য দায়ী সার্স-কোভ-২ ভাইরাস অদৃশ্য হয়নি, তবে এটি এখন ফ্লুর মতো পুনরাবৃত্তিমূলক অসুস্থতার চক্রের অংশ হয়ে উঠেছে।



























































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































