ভুল অভিযোগে গ্রেপ্তার ও দীর্ঘ আটকের পর মৃত ব্যবসায়ী শিজো আশিমার সমাধিতে ক্ষমা চেয়েছে জাপানের পুলিশ ও প্রসিকিউটররা। সোমবার (২৫ আগস্ট ২০২৫) ইয়োকোহামায় শিজোর সমাধিতে তাঁর পরিবারের উপস্থিতিতে এই ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়। শিজোর স্ত্রী পুলিশের ক্ষমা গ্রহণ করলেও বলেছেন, যারা এই অভিযোগ এনেছিল তাদের তিনি কখনো ক্ষমা করবেন না।
২০২০ সালের মার্চে শিজো আশিমা এবং তাঁর কোম্পানি ওকাওয়ারা কাকোহকির দুই নির্বাহীকে সংবেদনশীল শিল্প যন্ত্রপাতি রপ্তানির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগটি ছিল স্প্রে ড্রায়ার রপ্তানির ওপর ভিত্তি করে, যা তরল পদার্থকে পাউডারে রূপান্তর করতে পারে এবং সামরিক ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। তবে, কোম্পানি জানায়, তাদের ব্যবসা রপ্তানি বিধিনিষেধের আওতাভুক্ত ছিল না।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকস্থলীর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শিজোর মৃত্যু হয়। তিনি আটবার জামিনের আবেদন করলেও তা নাকচ করা হয়েছিল, যার ফলে তিনি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হন। ২০২১ সালের জুলাইয়ে টোকিও ডিস্ট্রিক্ট পাবলিক প্রসিকিউটরস অফিস স্বীকার করে যে রপ্তানিগুলো অবৈধ ছিল না এবং অভিযোগ প্রত্যাহার করে।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারের রাখাইনে দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ওকাওয়ারা কাকোহকি ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা দায়ের করে। টোকিও হাইকোর্ট অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে রায় দেয় এবং ১৬৬ মিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ১১.৪ মিলিয়ন টাকা) ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দেয়। টোকিও মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিপার্টমেন্ট ও টোকিও ডিস্ট্রিক্ট পাবলিক প্রসিকিউটরস অফিস এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেনি।
প্রসিকিউটর হিরোশি ইচহিকাওয়া বলেন, “শিজোকে অবৈধভাবে আটক ও মামলা দায়েরের মাধ্যমে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। জামিন মঞ্জুর না করে তাকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করার জন্যও আমরা ক্ষমা প্রার্থনা করি।”



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































