শারীরিক নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, তাঁর বাবা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলীসহ ১০ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত। বৃহস্পতিবার (২২ মে ২০২৫) অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (এসিএমএম) ছানাউল্ল্যাহ এ আদেশ দেন।
একই মামলায় গত ২৩ এপ্রিল শাওনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন মেহের আফরোজ শাওন, প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী (শাওনের বাবা), মাহিন আফরোজ (শাওনের ভাই), সেঁজুতি (শাওনের বোন) ও তাঁর স্বামী সাব্বির, মোখলেছুর রহমান (শাওনের বাবার বোনের ছেলে), হারুন অর রশীদ (ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক প্রধান) ,নাজমুল ইসলাম (সিটিটিসি ইউনিটের সাবেক এডিসি), সুব্রত দাস (সিটিজেন কেবলসের মহাব্যবস্থাপক) এবং মাইনুল হোসেন (সিটিজেন কেবলসের হিসাব বিভাগের প্রধান)
গত ১২ মার্চ নিশি ইসলাম নামে এক নারী শাওনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। নিশি ইসলাম দাবি করেন, তিনি মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী এবং কাবিননামা আদালতে জমা দিয়েছেন। মামলায় বলা হয়, মোহাম্মদ আলী ২০২৪ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগের স্ত্রীর কথা গোপন রেখে ৫০ লাখ টাকা দেনমোহরে তাঁকে বিয়ে করেন। পরে নিশি এই তথ্য জানতে পারলে তাঁকে চাপ দেওয়া হয় এবং ৪ মার্চ গুলশানে মোহাম্মদ আলীর বাসায় শাওনসহ আসামিরা তাঁকে নির্যাতন করেন। এছাড়া, নিশিকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগও উঠেছে।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে শাওনসহ ১২ জনকে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেছিল। ২৩ এপ্রিল হাজিরার দিনে শাওনসহ ১০ জন অনুপস্থিত থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তবে, পুলিশ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া ও উপপরিদর্শক শাহ আলম আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন।
এর আগে, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ শাওনকে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। একই দিন তাঁর জামালপুরের গ্রামের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ জনতা আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।































































































































































































































































































































































































































































































































































































































