জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসাইনকে তার ছাত্রী ‘পছন্দ করতেন’—এই ক্ষোভ থেকে ছাত্রীর ‘প্রেমিক’ তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে তাকে হত্যা করতে পারে বলে পুলিশের ধারণা। সোমবার সকালে বংশাল থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান।
ওসি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্রী দাবি করেছে যে, খুনের বিষয়ে কিছুই জানতেন না তিনি। তবে, তার সঙ্গে একটি ছেলের ৯ বছরের ‘প্রেমের সম্পর্ক’ ছিল। ছেলেটি পুরান ঢাকার শেখ বোরহান উদ্দীন কলেজে ইন্টার প্রথম বর্ষে অধ্যয়নরত, আর ছাত্রী ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজে সেকেন্ড ইয়ারে পড়েন। তাদের বাড়ি পাশাপাশি।
সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছিল। কিছুদিন আগে সম্পর্কের ভাঙন হয় এবং ছাত্রী তার বয়ফ্রেন্ডকে জানায় যে, তিনি জুবায়েদকে পছন্দ করেন। এটি জেনে রাগে ক্ষোভে ছাত্রীর ‘প্রেমিক’ তার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে জুবায়েদকে হত্যা করতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
আরও পড়ুন: খুলনার দৌলতপুরে ঘুমন্ত যুবককে গুলি করে হত্যা
গতকাল রোববার রাতে পুরান ঢাকার আরমানিটোলার একটি ভবনের সিঁড়ি থেকে জুবায়েদের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। জুবায়েদ জবির ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ছাত্রদলের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।









































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































