নেপালে ৭৭৭ টন আলু রপ্তানি-newsedge24

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে নেপালে ৭৭৭ টন এস্টারিক্স জাতের আলু রপ্তানি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে মোট ১২,৬৬৩ টন আলু নেপালে রপ্তানি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের কোয়ারিনটিন ইন্সপেক্টর উজ্জল হোসেন।

আলুগুলো রপ্তানি করেছে থিংকস টু সাপ্লাই, ফাস্ট ডেলিভারি, সুফলা মাল্টিপ্রোডাক্ট লিমিটেড, স্বাধীন এন্টারপ্রাইজ, ক্যারজ এগ্রো, মাইসা কোল্ড স্টোরেজ এবং ইসান এগ্রো ফার্ম। এই আলুগুলো পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়। ৩৭টি ট্রাকে (প্রতি ট্রাকে ২১ মেট্রিক টন) আলু নেপালের কাকরভিটা এলাকায় পাঠানো হয়।

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আলু রপ্তানি বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। নেপালে বাংলাদেশি আলুর চাহিদা কৃষক ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। এই রপ্তানি কেবল স্থানীয় কৃষকদের আয় বাড়াচ্ছে না, বরং সরকারের রাজস্ব আয়েও অবদান রাখছে। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এও এই বন্দর দিয়ে ৩৩৬ টন আলু নেপালে রপ্তানি হয়েছিল, যা এই বন্দরের ধারাবাহিক গুরুত্ব প্রকাশ করে।

বাংলাদেশের কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আলু রপ্তানি থেকে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে, রপ্তানিকারকদের মতে, সরকারি ইনসেনটিভ বাড়ানো এবং রপ্তানি প্রক্রিয়া আরও সহজ করা গেলে এই খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।

আলু রপ্তানির ক্ষেত্রে গুণগত মান বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। নেপালের বাজারে প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় উন্নতমানের আলু সরবরাহ অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়া, পরিবহন ব্যয়, সীমান্তে কাস্টমস প্রক্রিয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা রপ্তানিকারকদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। তবে, সরকারি নীতি সহায়ক হলে এবং কোল্ড স্টোরেজ ও পরিবহন অবকাঠামো উন্নত করা যায়, তবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আলু রপ্তানি আরও বাড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *