পেট্রোল পাম্প-newsedge4

দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের রেশনিং ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পগুলোতে চরম বিশৃঙ্খলা ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। একদিকে সরকারের ‘পর্যাপ্ত মজুত’ থাকার দাবি, অন্যদিকে তেল বিক্রিতে কড়া নিয়ন্ত্রণ—এই দ্বৈত নীতির কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে তীব্র বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, পাম্পে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন পুলিশের পাশাপাশি সেনাসদস্য মোতায়েনের দাবি জানিয়েছেন মালিকরা। দ্রুত সমাধান না হলে পাম্প বন্ধ করে দেওয়ার মতো কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে পাম্প মালিকরা বর্তমান সংকটের চিত্র তুলে ধরেন। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক জানান, মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার অজুহাতে সরকার তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু সরকারি কর্মকর্তাদের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে জনমনে ধারণা জন্মেছে যে দেশে তেলের তীব্র সংকট চলছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ‘তেল ফুরিয়ে যাচ্ছে’ এমন গুজবে আতঙ্কিত হয়ে গ্রাহকরা পাম্পে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। সবাই চাইছেন গাড়ির ট্যাংক পূর্ণ করে রাখতে। ফলে স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। পাম্পগুলোতে দীর্ঘ সারি থেকে শুরু করে হাতাহাতি, এমনকি ছুরিকাঘাতের মতো সহিংস ঘটনাও ঘটছে। বিশেষ করে সুনামগঞ্জে এক পাম্প কর্মচারীর ওপর হামলার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *