রাজধানীর ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন কাঠালবাগান, কলাবাগান, ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, হাতিরপুল, নীলক্ষেত, আজিমপুর ও আশপাশের এলাকায় মশার উপদ্রব অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। সন্ধ্যা নামার পর শিশু-কিশোররা পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছেন না, বাসিন্দারা ঘরের ভেতরেও অস্থির হয়ে উঠছেন। এ অবস্থায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে—বিশেষ করে ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুর-কলাবাগান অঞ্চলে। বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, হাতিরঝিল, ধানমন্ডি লেক, কামরাঙ্গীরচরের খালের পানি পরিস্কারে এবং বিভিন্ন স্থানের ময়লা-আবর্জনা অপসারণে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই। ফলে জলাশয় ও ড্রেনগুলো মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচিত মেয়র না থাকলেও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও অন্যান্য কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। আইন অনুযায়ী মেয়র না থাকলেও ফগিং, লার্ভিসাইডিং, খাল-ড্রেন পরিষ্কার, আবর্জনা অপসারণের মতো জরুরি কাজে তাদের পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। তবুও এসব এলাকায় কার্যকর কোনো অভিযান চোখে পড়ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলছেন— “নতুন সরকার গঠন হয়েছে, মেয়র নেই—এটা মেনে নিলাম। কিন্তু ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তো আছেন। তিনি কেন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না? মেয়র নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত কি মশা-ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে কিছুই করা যাবে না?”
ঢাকাবাসীর একটাই দাবি—দ্রুত ফগিং, লার্ভিসাইডিং, খাল-ড্রেন পরিষ্কার ও আবর্জনা অপসারণের কাজ জোরদার করা হোক। বিশেষ করে আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে এই এলাকাগুলোতে মশক নিধন অভিযান না চালালে স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়বে।
( লেখক: ফাহিম আহমেদ )


















































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































