আব্বাস আরাঘচি-abbas araghchi-newsedge24

জুন মাসের আরোপিত যুদ্ধের পর ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে এবং নতুন করে কোনো সংঘাত শুরু হলে প্রচণ্ড জবাব দেওয়ার পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

রোববার তেহরানে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল ল’ আন্ডার অ্যাসল্ট: অ্যাগ্রেশন অ্যান্ড ডিফেন্স’-এ এক প্যানেল আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। আরাগচি বলেন, “যুদ্ধোত্তর পরিস্থিতিতে ইরান কূটনীতি ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে। দুটি দৃষ্টিভঙ্গি আছে—একটি শক্তি ও আগ্রাসনের মাধ্যমে, আরেকটি সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র দ্বিতীয় পথটি বেছে নিয়েছে।”

ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থার আরোপিত সাম্প্রতিক ১২ দিনের যুদ্ধ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরানের প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া, যেখানে আরও কিছু দেশ ভূমিকা রেখেছিল। এই যুদ্ধে তাদের কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হয়নি। শুরুতে তারা ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করেছিল। কিন্তু ১২তম দিনে এসে নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতি চাইতে বাধ্য হয়।”

আরও পড়ুন: গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে দ্বিতীয় ধাপের আলোচনা শুরু

তিনি দাবি করেন, ১৩ জুনের পর থেকে ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যুদ্ধকালে ইসরায়েলি বিমান ইরানের আকাশসীমায় সক্রিয় থাকলেও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েল-অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে একই শক্তি ও নির্ভুলতায় আঘাত হানে। সংঘাতের শেষ দিকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নির্ভুলতা ও শক্তি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে ইসরায়েল অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ করতে বাধ্য হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *