পাকিস্তানের কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খানকে নিয়ে গত ৪৮ ঘণ্টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। আফগানিস্তানভিত্তিক একটি ওয়েবসাইট ও বেলুচিস্তানের স্বঘোষিত ‘পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’ দাবি করেছে, আদিয়ালা জেলে নির্যাতনে ইমরান খান মারা গেছেন এবং মরদেহ গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এই গুজব আরও তীব্র হয় যখন ইমরানের তিন বোন – নোরিন নিয়াজি, আলিমা খান ও ডা. উজমা খান – অভিযোগ করেন, তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তারা ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না এবং জেলগেটে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন।
তবে পাকিস্তান সরকার আজ সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে গুজব উড়িয়ে দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন: “ইমরান খান আদিয়ালা জেলে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন। তাকে আইন অনুযায়ী সব ধরনের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। এর আগেও মে মাসে একই ধরনের ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছিল।”
পিটিআইয়ের পক্ষ থেকেও দলের মুখপাত্র রউফ হাসান বলেছেন, “এটা সরকারের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ। চেয়ারম্যান জীবিত ও সুস্থ আছেন।”
আরও পড়ুন: ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেবে পাকিস্তান
এদিকে এক্স (সাবেক টুইটার)-এ #ImranKhan, #ImranKhanDied, #SaveImranKhan হ্যাশট্যাগ দিয়ে লাখ লাখ পোস্ট হয়েছে। বেলুচিস্তানের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীগুলো দাবি করেছে, “আইএসআই ও সেনাপ্রধান অসিম মুনিরের নির্দেশে ইমরানকে হত্যা করা হয়েছে।”
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের কোনো বিশ্বাসযোগ্য সূত্র এখনো এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি। রয়টার্স, বিবিসি, আল-জাজিরা কেউই এ বিষয়ে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।


































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































