ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ও সামরিক পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। যুদ্ধের মাধ্যমে ইরানের ধর্মীয় শাসনকে দুর্বল করার আশায় জল ঢেলে দিয়েছে এই চুক্তি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই চুক্তিকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে স্পষ্ট মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা চুক্তিটিকে ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করেছেন।
নাম প্রকাশ না করা এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সেনাপ্রধান পর্যন্ত কেউ এই চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন না।”
ইসরায়েলের আশঙ্কা, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়তে পারে, যা তাদের সামরিক অভিযানের সুযোগ সীমিত করে দেবে। লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা নিয়েও ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে একাধিকবার মতবিরোধ হয়েছে।
সোমবার জেরুজালেমে সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু স্বীকার করেন যে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সব বিষয়ে মতের মিল হয় না। তিনি বলেন, “আমি ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থের দায়িত্বে আছি। দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।”
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানালো বিশ্বনেতারা
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই চুক্তি নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে তিনি ইসরায়েলের জন্য বড় সুবিধা হিসেবে উপস্থাপন করলেও বর্তমান পরিস্থিতি সেই বার্তাকে দুর্বল করে দিয়েছে।
শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চূড়ান্ত স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।

































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































2 comments on “ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর মতপার্থক্য বাড়ছে”