ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সরাসরি আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি এই আলোচনাকে “একেবারেই বন্ধ রাস্তা” বলে অভিহিত করেছেন। মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বক্তৃতায় তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার ফলাফল আগেই নির্ধারণ করে দিয়েছে, যা হলো পারমাণবিক কার্যক্রম ও ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করা। এটি আলোচনা নয়, বরং শর্ত চাপিয়ে দেওয়া।”
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮০তম অধিবেশনের ফাঁকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলাকালীন খামেনির এই মন্তব্য এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউএনজিএ-তে ভাষণে বলেন, “ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হবে না।” তিনি ইরানকে “বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক” হিসেবে সমালোচনা করেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নিউইয়র্কে জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের (ই-৩) কূটনীতিক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান কায়া কাল্লাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে আসন্ন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল নিয়ে আলোচনা হয়। ই-৩ দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি (জেসিপিওএ) ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে, যেখানে ইরান নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৪০ গুণ বেশি ইউরেনিয়াম মজুদ করেছে বলে দাবি করা হয়।
আরও পড়ুন: নোবেল পুরস্কার জিততে ট্রাম্পকে গাজার যুদ্ধ থামাতে হবে: ম্যাক্রোঁ
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ২০১৮ সালে ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে জেসিপিওএ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে একতরফাভাবে সরিয়ে নেন, যা বর্তমান উত্তেজনার অন্যতম কারণ।



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































